ওয়েব ডেস্ক; ৩০ মে : ভারতে প্রোটিন গ্রহণ নিয়ে সচেতনতা যখন ক্রমবর্ধমান, ঠিক তখনই 'আশীর্বাদ হাই প্রোটিন আটা' এই অত্যাবশ্যক পুষ্টি উপাদানটি গ্রহণের ক্ষেত্রে দেশবাসীর ধারণায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। গোটা বিষয়টিকে আরও সহজ, আরও গ্রহণযোগ্য এবং দৈনন্দিন অভ্যাসের সঙ্গে সংযুক্ত করে তৈরি হল তাদের নয়া প্রচারাভিযান।
প্রতিদিনের খাবারের মাধ্যমে প্রোটিন গ্রহণ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিকে সঙ্গী করে, আশীর্বাদ নিয়ে এল তাদের নতুন প্রচারাভিযান ‘ও কি খেয়ে এসেছে?’ এই প্রচারাভিযানে বহুল ব্যবহৃত ভারতীয় অভিব্যক্তিকে শক্তি, কর্মদক্ষতা এবং দৈনন্দিন এনার্জির এক শক্তিশালী সাংস্কৃতিক বার্তায় রূপান্তর করা হয়েছে।
ভারতে ক্রিকেটের মাঠে, বাড়িতে কিংবা প্রতিদিনের জীবনে কারোর অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখলে প্রায়ই একটি পরিচিত কথা কানে আসে — ও কি খেয়ে এসেছে?’
এই প্রচারের মাধ্যমে আশীর্বাদ সেই প্রচলিত প্রশ্নেরই এক নতুন তথা অর্থবহ উত্তর তুলে ধরেছে।
প্রচারের মূল ভাবনা এক সহজ উপলব্ধির উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে- তা হল, আমরা কোনও নাটকীয় পরিবর্তনে রাতারাতি শক্তিশালী হয়ে উঠি না, বরং আমরা প্রতিদিন নিয়মিত কী খাই, তার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে আমাদের শারীরিক শক্তির আসল উৎস। প্রোটিনকে রুটির মতো জনপ্রিয় ও প্রচলিত খাবারের সঙ্গে যুক্ত করে আশীর্বাদ এমন এক পরিবর্তনের বার্তা দিয়েছে, যেখানে প্রোটিনকে আর বিশেষ কোনও প্রয়োজন হিসেবে নয়, বরং প্রতিদিনের পুষ্টির স্বাভাবিক অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এতদিন পর্যন্ত প্রোটিনকে মূলত খেলোয়াড়, জিমে যাওয়া ব্যক্তি বা সাপ্লিমেন্টের সঙ্গে যুক্ত করে দেখা হতো। কিন্তু হাই প্রোটিন-সহ আশীর্বাদ আটা প্রতিটি পরিবারের জন্য দৈনন্দিন প্রোটিনকে সহজলভ্য করে তুলেছে। বাছাই করা গম, ১০ শতাংশ সয়া (যা সম্পূর্ণ প্রোটিনের উৎস), বাংলার ছোলার ডাল এবং ওটসের মিশ্রণে তৈরি এই আটা প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ১৫ গ্রাম প্রোটিন সরবরাহ করে, একই সঙ্গে রুটির স্বাদ এবং নমনীয়তাও বজায় রাখে।
0 Comments