কলকাতা, ১৪ জুন : যশোদা হসপিটালস হায়দ্রাবাদ কলকাতায় একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এই আয়োজনের লক্ষ্য ছিল পালমোনোলজি, ইন্টারভেনশনাল পালমোনোলজি, থোরাসিক সার্জারি, রোবোটিক সার্জারি এবং ফুসফুস প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে তাদের যুগান্তকারী সাফল্যগুলো তুলে ধরা।
এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন যশোদা হসপিটালস, হায়দ্রাবাদের কনসালট্যান্ট রোবোটিক অ্যান্ড মিনিমালি ইনভেসিভ থোরাসিক সার্জন ডা. মঞ্জুনাথ বালি এবং কনসালট্যান্ট ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড ইন্টারভেনশনাল পালমোনোলজিস্ট ও অ্যালার্জি অ্যান্ড ইমিউনোলজি বিশেষজ্ঞ ডা. জে. ভি. এস. অশ্বিত চৌধুরী। এছাড়াও এই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন যশোদা হসপিটালস, হায়দ্রাবাদের মার্কেটিং বিভাগের এজিএম শ্রী সঞ্জয় ভট্টাচার্য এবং মার্কেটিং বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার সাগর মুখার্জি।
ডা. মঞ্জুনাথ বালে বলেন, "অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে যশোদা হাসপাতালের থোরাসিক সার্জারি বিভাগের প্রধান ডা. মঞ্জুনাথ বালে বলেন, “রোবোটিক ও মিনিমালি ইনভেসিভ থোরাসিক সার্জারি, ফুসফুসের ক্যানসার চিকিৎসা এবং লাং ট্রান্সপ্লান্টেশনের ক্ষেত্রে দ্রুত প্রযুক্তিগত অগ্রগতি রোগীদের চিকিৎসার ফলাফল উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করছে এবং দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার সুযোগ করে দিচ্ছে। আমাদের থোরাসিক সার্জারি বিভাগ বর্তমানে দেশে অ্যাডভান্সড ভিএটিএস, রোবোটিক থোরাসিক সার্জারি এবং লাং ট্রান্সপ্লান্টেশনের অন্যতম শীর্ষ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।"
মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ডা. জে. ভি. এস. অশ্বিত চৌধারী বলেন, “ভারতে বর্তমানে অ্যাজমা, সিওপিডি, ইন্টারস্টিশিয়াল লাং ডিজিজ এবং ফুসফুসের ক্যানসারের মতো শ্বাসযন্ত্রজনিত রোগের প্রকোপ ক্রমশ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ, উন্নত ব্রঙ্কোস্কোপি প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ইন্টারভেনশনাল পালমোনোলজির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে রোগীদের চিকিৎসার ফলাফল উন্নত করা এবং তাদের জীবনমান বৃদ্ধি করা সম্ভব হচ্ছে।”
0 Comments