ওয়েব ডেস্ক; ১৬ সেপ্টেম্বর : ভারতকে ডেঙ্গু মুক্ত করার লক্ষ্যে নিজেদের উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নিয়ে গিয়ে, ওডোমস তাদের বৃহৎ উদ্যোগ “ডেঙ্গু মুক্ত ভারত” অভিযানের সূচনা করেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ওডোমস দেশজুড়ে মানুষের কাছে পৌঁছে মশার কামড় থেকে সুরক্ষার বিভিন্ন উপায় সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করবে। পাশাপাশি, এই বর্ষায় ডেঙ্গু সংক্রমণকারী মশার হাত থেকে সুরক্ষার জন্য তাদের মশা প্রতিরোধক ক্রিমের বিনামূল্যে নমুনাও বিতরণ করা হবে।
তাদের পক্ষ থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের স্কুলগুলিতে ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদেরও সচেতন করা হবে। কলকাতা থেকে এই উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক সূচনা করে ডাবর ব্যারাকপুরের ‘অ্যাসেম্বলি অফ ক্রাইস্ট স্কুল’-এ ৩০০-রও বেশি পড়ুয়ার জন্য একটি সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করে। এর উদ্দেশ্য ছিল ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের ডেঙ্গু সংক্রমণকারী মশার হাত থেকে কার্যকরভাবে সুরক্ষিত থাকার উপায় সম্পর্কে সচেতন করা। শহরের বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ সায়ন্তন ভট্টাচার্য এই বিশেষ সচেতনতামূলক অধিবেশন পরিচালনা করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অ্যাসেম্বলি অফ ক্রাইস্ট স্কুল-এর মিডল স্কুল কো-অর্ডিনেটর সঞ্চিতা ভট্টাচার্য এবং অ্যাসেম্বলি অফ ক্রাইস্ট স্কুল-এর ভাইস প্রিন্সিপাল রেভ স্যামুয়েল ডেভিস।
বৈভব রাঠি, মার্কেটিং হেড- হোম কেয়ার,ডাবর ইন্ডিয়া লিমিটেড বলেন, “একটি ব্র্যান্ড হিসেবে ওডোমস মানুষকে ডেঙ্গু এবং অন্যান্য প্রাণঘাতী মশাবাহিত রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে চলেছে। সেই লক্ষ্যকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে আমরা এই সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছি, যাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা যায় এবং মশার কামড়ের কারণে রোগের শিকার হওয়া থেকে তাঁদের সুরক্ষিত রাখা যায়। গত কয়েক বছরে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হল ডেঙ্গু যে এডিস ইজিপ্টাই নামের দিনে কামড়ানো মশার মাধ্যমে ছড়ায়, সে বিষয়ে পর্যাপ্ত সচেতনতার অভাব। কর্মজীবী মানুষ এবং ছাত্রছাত্রীরা বাইরে থাকার সময়, বাড়ি ও কর্মস্থলের মধ্যে যাতায়াতের সময় কিংবা স্কুল ও খেলার মাঠে এই মশার কামড়ের শিকার হতে পারেন। তাই এই মুহূর্তে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া এবং ডেঙ্গু সংক্রমণকারী মশার হাত থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে মানুষকে সাহায্য করা অত্যন্ত প্রয়োজন।”
সচেতনতামূলক শিবিরে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ড. সায়ন্তন ভট্টাচার্য বলেন, “ডেঙ্গুর মতো রোগ এড়াতে প্রতিরোধই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মশার মরসুম এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে শিশুদের পাশাপাশি কর্মজীবী মানুষের জন্যও বাইরে থাকার সময় মশার হাত থেকে সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। ভারতকে ডেঙ্গু মুক্ত করার এই প্রচারাভিযান সেই দিকেই একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ এবং এই মহৎ উদ্দেশ্যের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত।”
0 Comments